Saturday, March 17, 2012

রাতের আঁধারে আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা (না পরলে মিস করবেন)

তখন রাত ঠিক ১২ টা ২৪ মিনিট, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১২।
আমি গাজীপুরে কাজ শেষ করে চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে। এত রাতে মতিঝিল যাব কি করে? আমার বাসা ওখানে।
রাস্তায় দু-চারটা কুকুর ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। বুঝলাম বাসায় যাওয়া হবে না। তাই ঠিক করলাম মামার বাসায় যাব। মামার বাসা শিববাড়ি শ্মশান গাঁট। মামাকে ফোন করলাম। সে মুটামুটি ঘুমের ঘোরে। আমাকে তার বাসায় যেতে বলল। এমন সময় সামনে একটা টেম্পু দেখতে পেলাম, শিববাড়ির দিকে যাচ্ছে। এক দৌড় দিয়ে উঠলাম। ঠিক ১২ টা ৩৪ মিনিট আমি শিববাড়ি পৌঁছে গেলাম। রাস্তায় কোন রিকসা নাই,এখন শ্মশান গাঁট যাব কি করে। এত রাতে পোঙ্গামারা খাওয়ার সম্ভাবনা অতি। তাই হেঁটে যাওয়ার রিস্কটা নিতে চাচ্ছিলাম না। ঠিক এমন সময় একটা লোকাল বাস আমার সামনে এসে দাঁড়াল। আমি অতি উৎসাহের সহিত জিজ্ঞাস করিলাম, কই জাইব মামা? সে উত্তর দিল "ঢাকা"।
আমি একখানা বড় লম্ফ মারিয়া বাস খানায় উঠিয়া পরিলাম। মোটামোটি ১৮-২০ জন যাত্রী ছিল। আমি কানে হেডফোন লাগাইয়ে গান শুনিতে লাগিলাম।
বাস পুনরায় চৌরাস্তা ছাড়িয়া ঢাকা মুখি পথে চলতে লাগল। এরই মধ্যে কিছু যাত্রী উঠানামা করল। হটাৎ খেয়াল করিলাম রাতের মানুষরা অনেকটা ভিন্ন প্রকৃতির। অনেক শ্রেণী পেশার মানুষ যাদের দিনের বেলা তেমন দেখা যায় না। রাতে বাস ভাড়া বেশি, দিনের ১.৫ গুন। অনেকে ভাড়াও দিতে পারে না। আমার দেখা তিনজন ভাড়া দিতে পারল না। কনট্রাকটর তাদের কিছু বলল না। শুধু বলল বইসা থাকতে। এরপর একসময় ওরা বাস থেকে নেমে পরল। এমনি ভাবে কেটে গেল আরও কিছুক্ষণ লক্ষ করলাম বাস এর যাত্রী আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। একসময় বাস পুরাই খালি হইয়া গেল। বাসএ আছি আমি, ড্রাইভার আর কনট্রাকটর। রাস্তায় মাঝেমাঝে একটা দুইটা ট্রাক দেখা যায়। ড্রাইভার আমাকে সামনে যেতে বলল। আমি গেলাম। সে আমাকে বলল সে আর যেতে পারবে না। বাস এ যাত্রী নাই। তার নাকি মতিঝিল যেতে ২০০০ টাকার তেল পুরবে। সে হাইদা পোঙ্গামারা খাইতে নারাজ। তখন রাত ১ টা ৩০ মিনিট । সে আমাকে আব্দুল্লাপুর নামাইয়া দিতে পারে। এর বেশি সে যাবে না। বাস এর সামনের সিট এ বইসা পোঙ্গামারা হজম করলাম। আমার নামার সময় হল। এমন সময় একটা বি আর টি সি পিছন থেকে আসতেছে। বাস এর ড্রাইভার রাস্তা ব্লক করল। আর আমকে ঐ বাসএ গিয়া উঠতে বলল। ঐ বাস নাকি এয়ারপোর্ট যাবে। আমি নামব, ঠিক তখন কয়েকটা যাত্রী এসে বাস এ উঠল। যাত্রী দেইখা ড্রাইভার হালার ত বিচি কান্ধে। সে কয় এখন সে নাকি জাইব। ওকে
আবার বাস চলতে লাগল। অবশেষে এয়ারপোর্ট আইসা সবাই নাইমা পরল। এখানে কয়েকটা দোকান ছাড়া আর কিছু খোলানাই। কোন গাড়ি ও নাই। এখন কি করি?? একটা বিড়ি জালাইয়া রাস্তায় খারাইয়া চিন্তা করতে লাগলাম। এখন কি করুম...।
কোন ট্রেন ও নাই। ভাবলাম খালার বাসায় চইলা জামু। এয়ারপোর্ট দক্ষিণখান খালার বাসা। জেই কথা সেই কাজ। একটা ব্যাটারি চালিত অটো গাড়ি থেকে ডাকতাছে দক্ষিণখান দক্ষিণখান...! আমি পদ পিষ্ট করিয়া বিড়ি খানা নিভাইয়া, দিলাম এক দৌড়। গিয়া অটো গাড়িতে উঠিয়া বসিলাম। দেখলাম খুব ভাল প্রজাতির মানুষ সেখানে নাই। সবাই পিনিকে !! ড্রাইভারও পিনিকে পিনিকে আস্তে ধীরে অটো চালাইতাছে। রাত ২ টা সময় এর চেয়ে ভাল কি আর আসা করা যায়... হাজীক্যাম্প পার হওয়ার পর একজন নামিয়া পড়িল। নির্জন রাত, আশে পাশে কোন সাড়া শব্দ ও নাই। এরই মধ্যে আমার পিতা মহাশয় ফোন করিয়া
করিয়া পাগল করিয়া দিতাছে। এমন সময় অটো ব্রেক করল। আমি ভাবলাম এই বুঝি পোঙ্গামারা খাওয়ার টাইম হইল। কিন্তু না। এক কমলা সুন্দরী (আমরা যাদেরকে যৌনকর্মী বলি) অটোতে উঠে বসল। পাশের এক গলি থেকে এক ল্যাচ্চর সম্রাট তাকে ভোগ করিয়া রাস্তায় ছাড়িয়া দিয়া গেল। কমলা সুন্দরীকে দেখিয়া বুঝাই যাচ্ছিল, এই মাত্র সে কাম দিয়া রাস্তায় বের হইয়েছে। তার কাপড় চোপড় ও একটু অগছালো ছিল। ব্লাউজের পাশদিয়া ব্রা এর ফিতা বের হইয়া ছিল। কমলা সুন্দরী আমার ঠিক সামনে বসিয়া ছিল। আমার ঠিক পাশের জনের দিকে তাকাইয়া দেখি ঐ সালা হা কইরা তাকাইয়া সুন্দরীর ব্রা গিলতাছে। কমলা সুন্দরী চোখের পাতার নিচ দিয়া মিটমিট কইরা আমার দিকে তাকাইতাছে। আমি অন্য দিকে তাকাইয়া আছি। এমন সময় আবার ও এক জন নামিয়া পড়িল। এখন অটোতে আছি আমি, ব্রা গিলা লোক আর কমলা সুন্দরী। সুন্দরী আমার হাঁটু তে একটা খুঁচা দিল। আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকালাম, বুঝলাম মাগি আরও **** খাইতে চায়। সে আবার কাস্টমার খুজতাছে। সে আবারো হাঁটু তে একটা খুঁচা দিল আর বলল ইয়েয়ে...ভাইয়া। আমি বললাম কি?? সে আবার বলল ইয়েয়ে...ভাইয়া। এই বার আমি জোরেই বললাম কি হইছে?? সে চুপ হইয়া গেল। এরই মধ্যে আমি দক্ষিণখান বাজার এসে পরলাম। তখন রাত ২ টা ৩০ মিনিট, আমি অটো গাড়ি থেকে নামলাম। সব কিছু আপরিচিত লাগছে। দোকান পাঠ সব বন্ধ। পিছনে এক নজর ফিরে তাকালাম, দেখলাম ব্রা গিলা লোক আর কমলা সুন্দরী নষ্টামো শুরু কইরা দিছে। কিছু না ভাবিয়া হাঁটা আরম্ব করলাম এক পথ ধরে। ঠিক বাজার এর মধ্যে দিয়ে। তখন ও বুঝতে পারি নাই যে এরপর সবচে বড় মাইণকার চিপায় পরব। ১০ কদম যাওয়ার পর হটাৎ এক কত্তা আমার সামনে আইসা দাঁড়াইল। আমি এক কদম সামনে দিতেই ঘেউ ঘেউ করিয়া আমার প্যান্টের মধ্যে এক কামর বসাইয়া দিল। সঙ্গে সঙ্গে আরও ৯-১০ টা কুকুর আমারে ঘিরা ধরল। আর ঘেউ ঘেউ শুরু করল। একটা লাফ দিয়া আমার উপর ঝাপাইয়া পরল। উপায় না পাইয়া দিলাম এক ভূ দৌড়। আমার সামনে ২ টা পাশে ৩-৪ টা আর বাকি গুলা আমার পিছনে। উনারা কামড়ানোর চেষ্টায় বার্থ। উনাদের ঘেউ ঘেউ শব্দে নাইট গার্ড ও আরও কয়েক জন বাঁশি ফুয়াতে ফুয়াতে দৌরে আসছে... বুঝতে আমার আর বাকি নাই যে "ধরা পরলে কুকুরের কামর আর মানুষের হাতে গণ মার খাইয়া চোর এর অপবাধ ঘারে লইয়া এ জনম চিরতরে ত্যাগ করিতে হইবে।" আমি কোন রকম বাজার টা পাস করিয়া এক দৌড় এ খালার বাড়ির রাস্তায় গিয়া উঠিলাম। খেয়াল করিলাম কুত্তা বাবাজীরা আর আমার পিছনে নাইকা। হাফ ছারিয়া বাঁচিলাম। বুঝিলাম আমি এখন উনাদের (কুত্তা) আওতার(বাজার) বাহিরে। খালাত্ত ভাই স্যাম আজগর রে ফোন দিলাম। হালার মোবাইল বন্ধ। ওহার বিগ ব্রাদাররে ফোন দিলাম। এরপর তাহারা আইসা গেইট খোলিল। আবশেসে পোঙ্গামারা সহ্য করিতে করিতে রাত ৩ টায় বাসায় গিয়া পৌঁছলাম। পৌঁছতে না পৌঁছতে খালাত্ত ভাই স্যাম আজগর জিগাইতাছে ব্যান্ডউইথ আন্সি নাকি?? আমি ত টাসকি !! আবে হালায় কয় কি ?? জান লইয়া আইবার পারি না । আর হালায় ব্যান্ডউইথ(বিড়ি) চায়। আমরা এক সাথে অন লাইন এ কাজ করি তাই সব কিছুকে একটু ভিন্ন ভাবে বলি। যেমনঃ বিড়ি=ব্যান্ডউইথ । এরপর একটা গোসল দিলাম। আর খেয়াল করলাম, কুকুরের কামরে ২ যায়গাতে প্যান্ট চিঁরে গেছে। ঐ দিন রাতে ৩ পিছ বিস্কুট ছাড়া কপালে আর কিছুই জোটেনী।

No comments:

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...