Monday, November 14, 2011

বাংলাদেশের বাস্তব রাজনীতি !!!!

এরশাদ,শাবনুর, অপু বিশ্বাস আর নিজামী একসাথে ট্রেনে করে একটা আঞ্চলিক অনুষ্ঠানে যোদ দিতে যাচ্ছে। হটাৎ ট্রেন একটা টানেলের ভিতর ঢুকে পড়ল। তার পরপরেই ওরা প্রথমে একটা চুমু ও তার সাথে সাথে একটা থাপ্পরের আওয়াজ শুনতে পেল। একটু পর ট্রেন টানেল থেকে বের হল।

কেউ কোনো কথা বলছে না, খালি এরশাদ তার গালটা ধরে হাতাচ্ছেন। ওখানটা লাল হয়ে আছে। বুঝা গেল চড় কাকে মারা হয়েছে।

শাবনুর ভাবছে--- নিশ্চই এরশাদ চাচা অপু বিশ্বাসকে চুমু খেতে গিয়ে চড় খেয়েছেন!!!!! নাহ বেটা এই বয়সেও ভাল হল না!!!!!!

অপু বিশ্বাস ভাবছে--- এরশাদ আঙ্কেল মনে হয় আমাকে চুমু খেতে গিয়ে ভুলে শাবনুর আপাকে চুমু খেয়ে ফেলেছে......... আর তাই শাবনুর আপা বেটাকে দিয়েছেথাপ্পর!!!!! ঠিক হয়েছে!!!!!

এরশাদ ভাবছেন--- নিজামী শালা মনে হয় অপু বিশ্বাসকে চুমু দিছে!!!!! আর শালি অন্ধকারে থাপ্পর মেরেছে আমাকে!!!!!! নাহ দেশটা রসাতলে গেল!!!

নিজামী ভাবছেন--- আল্লাহ আবার আরেকটা টানেল পাঠাও......আবার চুমার শব্দ কইরা হালার পুতেরে
কষায়া আরেকটা চড় মারি!!!

Wednesday, November 2, 2011

সোনার হরিণ অ্যাডসেন্স !!!

গত দুই দিন যাবত সোনার হরিণ অ্যাডসেন্স এর জন্য গুগল মামার কাছে আবেদন করতেছি । At a time দুইটা মেইল এড্রেস দিয়া try করতেছিলাম। কিন্তু approve করতেছিলনা । তারপর আবারও অ্যাপ্লাই করলাম।
৩-৪ ঘণ্টা পর একটি মেইল এড্রেস এ মেইল এল, যে আমি নাকি একই নাম ও ঠিকানা দিয়া একই আইপি থেকে দুইটা অ্যাকাউন্ট এর জন্য  apply  করছি। তাই একটি অ্যাকাউন্ট  approve করা হল। অন্যটি সাময়িক  approve করা হল না। পরবর্তী সময় আমি তা approve করিয়ে নিতে পারব। আমি যদি একই নাম ও ঠিকানা না দিয়া apply করতাম তা হলে হয়ত এখন দুইটা অ্যাকাউন্টই আমার থাকত। যাই হোক রাতে ফ্রেশ একটা ঘুম দিলাম। সকাল বেলা ইমেইল চেক করতেই দেখি যে একটা অ্যাকাউন্টও approve করেছিল, তাও আবার ভ্যান করে দিছে। Even আমার ওই দুইটা মেইল এড্রেসও ভ্যান। আমি তো পুরা ই হা.........।
যাই হোক সোনার হরিণ অ্যাডসেন্স হাতের মুঠোতে এসেও চলে গেল।
 এ থেকে আমরা কি শিক্ষা গ্রহন করতে পারি??
একই নাম ও ঠিকানা এবং আইপি থেকে দুইটা অ্যাকাউন্ট এর জন্য  At a time apply করা যাবে না।
 গুগল মামা বহাত ছাল্লু চিজ হে ইয়ার।

Friday, October 21, 2011

আমরা কুকুরের ও অধম !!!



ছোট্ট এই শিশুটির বিরুদ্ধে অভিযোগ—সে চুরি করেছে। কিন্তু কী চুরি করেছে সেটা বললো না। শিশুটিকে ধরেই কিল, ঘুষি আর মুহুর্মুহু লাথি দিতে থাকে এক যুবক। শত শত লোকের সামনে বুটজুতা দিয়ে তার মাথা চেপে ধরে পদদলিত করে। এরপরই আবার শিশুটির হাতে, পেটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বুটজুতা দিয়ে পদদলিত করতে থাকে। অসহায় শিশুটি হাতজোড় করে, পায়ে ধরে ক্ষমাভিক্ষা করেও নিস্তার পায়নি। জিন্সপ্যান্ট আর গেঞ্জিপরা এই যুবকটি যখন শিশুটির ওপর বর্বর নির্যাতন চালাতে থাকে—কেউ তার সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি। দু-একজন শিশুটির পক্ষে কথা বলতে চাইলে তাদেরও চোরের সহযোগী বলে তেড়ে আসে ওই যুবক। পরে শত শত লোকের সামনেই শিশুটিকে নিয়ে চলে যায়। যদি ক্ষুধার তাড়নায় শিশুটি চুরি করেও থাকে, তারপরও শত শত লোকের সামনে এভাবে তার ওপর নির্যাতন চালানো হলো, পদদলিত করে হাত-পা ভেঙে দেয়া হলো—কেউ প্রতিবাদ করল না। এটা সত্যিই দুঃখজনক। গতকাল খোদ রাজধানী ঢাকার ।পুরানা পল্টন চৌরাস্তার পাশে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির অফিসের সামনে ছোট্ট শিশুটির ওপর বর্বর নির্যাতনের ছবিগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন আমার দেশ-এর
ফটোসাংবাদিক মীর আহাম্মদ মীরু।
নাহ, আর কিছুই ভাল লাগে না, তিতা লাগে কেন জানি সব কিছু। মনে হয়, নাহ কিছুই পাল্টাবে না, রিপোর্ট এ বলা হয়েছে দূঃখজনক ঘটনা । হা হা হা !! হায়রে দূঃখ! কষ্ট!! বেদনা!! সব কিছুর রং ফিকে লাগে। কি হবে দেশ টার ? বড় বড় চোর দের ধরতে পারস না ব্যঠা ৭-৮ বছরের শিশুর হাত ভেঙে দেস ?? মানুষ তোরা ???

Monday, October 10, 2011

সাঞ্জিনার সাথে আজ আবার দেখা !!

ভোর ৮ টায় ক্লাস। সকালে অনেক কষ্ট করে ক্লাস এ গেলাম। যথারীতি সময় মোতাবেগ ক্লাস শেষ হল। ক্লাস শেষ করে রওনা হলাম ইস্কাটন চাচার অফিস এ একটা বিশেষ কাজের জন্য। রাস্তায় বের হয়ে দেখি ঠিকমত হাঁটারও জায়গা নাই। চির চেনা ঢাকা শহরের সেই পরিচিত জ্যাম। কি আর করার, হেঁটে ই রওনা হলাম।
ঠিক রমনা থানার সামনে যেতেই দেখি সেই চির চেনা মুখ। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন। মুখটা সাঞ্জিনার ই ছিল। কিন্তু সঙ্গে আর ও একটি মুখ ও দেখতে পাই। চিনি নাই, কিন্ত মনে হল তার নতুন বয়ফ্রেন্ড। তারাও জ্যাম ই আটকা পরেছিল। রিকসাতে বসেছিল। দেখেই আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। দুঃখিত মনের চেয়ে মেজাজ বেশি খারাপ হয়ে গেল। আজ বুঝি সারাটা দিন আমার আবার ও খারাপ যাবে। সাঞ্জিনা আমার দিকে তাকাল, না দেখার ভান করে। আমি ও তাই করলাম। যাই হোক, যেমনি কথা তেমনি কাজ। যে কাজের জন্য ইস্কাটন গেলাম তা আর হল না। সারাদিন বাহিরে বাহিরে কাটালাম। রাতে বাসায় এসে দেখি ধুম জ্বর।

Saturday, September 24, 2011

আমার জন্মদিন !!!!

গতকাল আমার জন্মদিন ছিল। সবার প্রথম Wish করল আমার ছোট ভাই। এরপর থেকে শুরু হল Wish আর Wish । Message এসে আমার Inbox ভরতি হয়ে গেল। ফেসবুকএ তো আর কথাই নাই। সবাই Wish করছে। কিন্ত এত জনের মাঝে আমি একজন এর Wish খুঁজেছি, কিন্ত পাইনি :( । তাই মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। সে আমাকে একবারও স্মরণ করেনি।
হে খোদা মুজে ওঠালে ইস দুনিয়া সে...।।

Thursday, September 8, 2011

তিস্তা পানি বণ্টন ও ট্রানজিট ( এক ভয়াবহ নাটক ) !!

এতদিন তো শুধু ভাইবেরাদার, মজা আর নিজের আহাম্মকি প্রেমএর কথাই বলেছি। আজ দেশ নিয়ে কিছু বলতে চাই। না বলে আর পারছি না।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন। দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট কিছু চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য। এর মধ্যে প্রধান দুইটি চুক্তি হল তিস্তা পানি বণ্টন ও ট্রানজিট। কিন্তু একটি ও বাস্তবায়ন হল না। এটিকে অনেকে দুর্ভাগ্য বলে আখ্যা করছে। আবার অনেকে মমতাকে দুষারুপ করছে। কিন্তু আমার ব্যাক্তিগত মতামত হল, এর জন্য বাংলাদেশই দায়ী। এখানে বড়ধরনের একটি পলিটিকাল চাল হয়েছে। আমি আর ভাঙ্গে বলতে চাই না। শুধু আপনাদের একটা হিঙ্কস দিতে চাই। বাংলাদেশের জনগনের একটা বড় অংশ আছে যারা ভারত বিরুধি। জনাব এরশাদ সাহেব যখন সামরিক আইনে ক্ষমতায় আসেছিলেন, এর ঠিক এক বছর পরই মানুষ তার পতন এর জন্য আন্দোলন করে। ব্যাপক আন্দোলন এর মাথায় যখন এরশাদ সাহেব বুঝতে পারেন যে আর ওনি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। ঠিক তখনই তিনি সীমানায় যোদ্দ লাগিয়ে দেন। I mean তার নির্দেশ এ B.D.R সীমানায় ভারতমুখি অস্র করে বুলেট নিক্ষেপ করে। মিডিয়া থেকে সংবাদ আসতে থাকে, "সীমানায় বিদ্রোহ, ১০০০ রাউন্ড গুলি বিনিময়।" ঠিক এর কয়েকঘণ্টা পর, জাতির উদ্দেশে এরশাদ সাহেব এর ভাষণ। "দেশে এখন সংকটময় পরিস্থিতি। প্রিয় ভাই ও বোনেরা ,দেশ বাঁচান মানুষ বাঁচান।" এই ভাষণ দেওয়ার পর পর ই মানুষ ভারত বিরোধী আন্দোলন শুরু করে দেয়। এরশাদ সাহেব ওইবার এরমত বেঁচে যান। এই হল বাংলাদেশের পলিটিক্স। বাঙালি নিজেরা থাকে সবসময় হুজুকে আর সেই হুজুকের সদব্যবহার করে পার পেয়েযায় পলিটিকাল লিডাররা। যাইহোক তিস্তা পানি বণ্টন ও ট্রানজিট এর অন্তরালে যে কাহিনী লুকায়িত ছিল, তা আমি একটি ছোট্ট উদাহারন দিয়ে বুঝাবার চেষ্টা করলাম। প্রকৃতপক্ষে তিস্তা পানি বণ্টন ও ট্রানজিট উভয় চুক্তিতে আমরাই বেশি লাভবান হব। পানি চুক্তিতে তো কথাই নাই, অপরপক্ষে আমরা ভারতকে ট্রানজিট দিলে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা ট্যাক্স আদায় করতে পারতাম। যেহেতু এটি একটি রাজনৈতিক বিষয় তাই ভেঙ্গে বলা উচিত হবে না। এতে লেখক এর নিজের সমূহ বিপদ হতে পারে।

[বি দ্রঃ কেবলমাত্র এই পোস্ট এর কোন লিখা মিডিয়ার আওতায় প্রকাশ করা যাবে না। যেহেতু আলোচনার বিষয়বস্তু খুবই স্পর্শকাতর, তাই কারো কোন প্রকার অভিযোগ থাকলে কমেন্ট করে জানান। খুব তারাতারি পোস্টটি অপসারণ করা হবে।]

Friday, September 2, 2011

ঈদ আর আমি!!

গতকাল ঈদ ছিল। আমি অনেক আশা করেছিলাম যে সাঞ্জিনা আমাকে স্মরণ করবে। At lest একটা ফোন দিবে...
কিন্তু দিল না।
এর অবশ্য কিছু কারন হতেপারে রোজার সময় বেশ কয়েকবার তার সাথে আমার দেখা হয়েছিল। কিন্ত আমি তাকে avoid করেছি।
হা হা হা এরপরও আমি কেমন করে তার কাছে ফোন আশাকরি?? আহাম্মক এরমত চিন্তা-ভাবনা আমার। নিজেরে খুব বলদ মনে হচ্ছে।
আসলে প্রেম এ পরলে মানুষের বুদ্ধি লোপ পায়, তারই নজির এটি।
ঈদ+আমি=গাধামি
সবাইকে বাসি ঈদ মোবারাক।

Sunday, August 21, 2011

আলস সময়।

গতকাল ইউনিভার্সিটিতে এই সেমিস্টার এর পরীক্ষা শেষ হল। এখন কুন কাজ নাই। সারা দিন বাসায় বইসা ঝিমাই। রানিখেত মুরগির মত। ঠিক করলাম বাসায় এই কদিন ইংলিশ আর তামিল মুভি দেখব। ফুল অফ এন্টারটাইনমেণ্ট।
:P

Monday, August 15, 2011

আমারে ও লইয়া যা।

AUST এর এক বড়ভাই এর নাম শাওন। আমার খুব পরিচিত। বাড়ি কিশোরগঞ্জ । সে নিজেকে দাবি করে কিশোরীগঞ্জ এর পাবলিক বইলা। আলটাইম এক সাথে পিনিক করি। খুব মজার মানুষ। ওই দিন ভাই এর লগে দেখা। সে আমারে বল্ল তোমার মোবাইলটা একটো দাও। কল দিব।
আমি বললামঃ আপনারটা কই?
সে আমারে বল্লঃ মোবাইল বিক্রি কইরা পিনিক করছি।
আমি তো হা...।
কি বলে এই সব, শেষ পর্যন্ত মোবাইল বিক্রি কইরা পিনিক করল।
আমি বললামঃ ক্যান ভাই টাকা ছিল না?
ওই আমারে কইলঃ আররে বেটা কাল আমারে রামপুরা থাইকা সিন্তাইকারি ধরসিল।
আমারে কইল যা আছে সব দ্যা।
আমি কইলাম মোবাইল আছে।
ওরা আমার কাছ থেকে মোবাইল নিল। আর কইল পিছনে না তাকাইয়া সুজা হাইটা যাইতে।
আমি কইলাম তোরা তো এই মোবাইলডা বিক্রি কইরা পিনিক ই করবি। তো আমারে ও লইয়া যা।
আমি ও তগর লগে পিনিক করমু।

Sunday, July 31, 2011

মহাকাণ্ড ইন বেইলিরোড। (Part 2)

বেইলিস্টার এর সামনে আমরা মিলিত হলাম। তারপর আমরা সবাই আমার ইউনিভার্সিটির সামনে গেলাম। সেখানে অনেক আড্ডা হল, মজা ও গল্প হল। এরই মধ্যে বৃষ্টি শুরু হল। আমরা তিনজন ভিখারুননিসা কলেজের সামনে ছাওনির নিচে বইসা বিড়ি খাইতাছি, আর পিনিক নিতাসি। সুজন মামাতো চরম চরম গপ্প কইতাসে। খুব মজা পাইসি ওই দিন। রাত ১১ টা সময় আমরা বাসার দিকে রওনা দেই। সুজন পুরান ঢাকা, আমি মতিঝিল আর SAM উত্তরা।
আমি SAM রে মালিবাগ থেকে ১১.৩০ এ অনেক কসটে একটা বাস এর লাস্ট Trip এ ওঠাইয়া দেই।

Saturday, July 30, 2011

মহাকাণ্ড ইন বেইলিরোড। (Part 1)

গতকাল ইউনিভার্সিটি থেকে বাসায় আসা মাত্রই SAM ফোন দিল, সে নাকি বেইলিরোড আসতাছে। কি আর করার ছুটলাম আবার বেইলিরোড এর ধারে। রিশকা থাইকা ঝকন ই শান্তিনগর মোর এ নামতাসি, তকনই দেখি সামনে সানজিনা। শান্তিনগর এ নাইমা অশান্ত হইয়া গেলাম। সে আমার দিকে তাকাইতে ছিল। আমি ওরদিকে নাতাকাইয়া নিচের দিকে তাকাইয়া চলে আশলাম। সে এটা অনুভব করল আমি বুজতে পারলাম। সে রাম পুরা যাওয়ার জন্য রিক্সা খুজতেছিল। যাই হোক আমি আমার পিনিক এ চইলা আইলাম। তার দিকে তাকানুর সময় আমার হল না। জিনিস টা কি ভাল হল না খারাপ হল তা বুজতে পারছিনা। সে ই তো আমাকে avoid করে। বরং আমি তারে avoid কইরা তার ই ওপকার করলাম। তার আর কষ্ট কইরা আমরে avoid করতে হইলনা।
এর পর গেলাম বেইলি স্টার এর নিচে আর গিয়াই SAM এর হাতে একটা বন খাইলাম, কারন আমি ১ ঘণ্টা late কইরা গেছিলাম......(চলবে)

Wednesday, July 6, 2011

হটাৎ এক বছর পর সানজিনার সাথে দেখা !!!!

গতকাল ইউনিভার্সিটি থেকে আসার পথে সন্ধ্যায় বেইলি রোড এর বেইলিস্টার মার্কেট এর নিচে সানজিনা কে দেখলাম।
দেখে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। দের বছর হল সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। তার সাথে তার বান্ধবি ও দুই জন ছেলে ছিল। তাকে আমি দেখলাম প্রায় এক বসর পর। কথা হয় নি। সুধু দূর থেকে এক নজর দেখলাম। সে ও আমাকে দেখেছে, কিন্ত না দেখার ভাণ করল। ভালবাসার মর্ম সে বুঝে না। আর কখনও বুজবেও না। তার কাছ থেকে ভালবাসা চেয়ে সুধু ভাল বাঁশ ই পেলাম।
যাই হোক সব ই কপাল। কপালের লিখা আটকায় কে?
দুপুর বেলা যখন তার দুই বান্ধবিকে আমার ইউনিভার্সিটির সামনে দেখলাম, তখনই বুজলাম আজ কপালে দুর্গতি আছে। ঠিক তাই হল। সন্ধ্যায় বেইলিস্টার মার্কেট এর নিচে সানজিনা কে দেখলাম। আর মন টা গেল খারাপ হয়ে।
আমি এত চাই তাকে ভুলে যেতে না দেখতে, কিন্ত পারি না। কেন যে সে সামনে এসে পড়ল।
আর আমাকে ৭ই দিনের জন্য পিছিয়ে দিল।
বিধাতার কাছে আমার একটাই পার্থনা... যেন আমি তাকে ভুলে যেতে পারি। তার মত মেয়েছেলের আমার কোন দরকার নাই।
যে আমাকে চায় না, আমি তাকে চাইতে যাব কেন।
আজ থেকে আমি তাকে চিনি না। আর কোন দিন চিনতে চেষ্টা ও করব না।
আমিন। বিধাতা আমার সহায় হোন।

Friday, May 6, 2011

এখন থেকে সকল সংবাদ পাবেন একত্রে একটি মাত্র সাইট www.bangla-news-paper.com এ

বর্তমান সময়ে আমরা ইন্টারনেট থেকেই সংবাদপত্র পড়তে বেশি পছন্দ করি। প্রতিটি পত্রিকার সাইট এ একবার একবার করে লগইন করা বিরক্তিকর। তাই এখন থেকে সব সংবাদপত্র পড়া যাবে একটি মাত্র সাইট www.bangla-news-paper.com থেকে।

Bangla news paper

এই সাইট / Bangla news paper এ বাংলাদেশের সকল পত্রিকা ও ম্যাগাজিন সহ আরও আছে বাংলাদেশের
সকল গুরুত্তপূর্ন ও প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক, রয়েছে টিভি চ্যানেল ও লাইভ রেডিও সংবাদ শোনারও সুযোগ। বাংলা নিউজ পেপার.কম এর মত আরও সংবাদ সম্বলিত সাইট থাকলে ও এর প্রধান বিশেষত্ব হচ্ছে ,এই সাইটটি অনন্যা সাইটএর তলনায় অনেক হাল্কা। যার ফলে খুব সহজেই এই সাইট টি লোড হয়ে যায়। এবং এই সাইট এর পুরোটাই গুগলে হোস্ট করায় কখনও সার্ভার ব্যাস্ত থাকে না। এবং অন্যান্য সাইট এর চেয়ে অনেক বেশি চমৎকার ও অনেক বেশি লিঙ্ক সম্বলিত সাইট এটি। মূলত বাংলাদেশের স্বল্প ইন্টারনেট স্পীড এর কথা মাথায় রেখেই সাইটটি তৈরি করা হয়েছে।

Friday, April 15, 2011

আমার ব্লগ এর কালার।

পৃথিবী তে প্রত্যেক টা জিনিশ এর পিছনে কোন না কোন কারন থাকে।
যেমনঃ ফেসবুক এর কালার নীল। কারন ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ বর্ণান্ধ। সে নীল ছাড়া আর কোন কালার দেখতে পায় না।
ঠিক তেমনি আমার ব্লগ এর কালার কালো হওয়ার পিছনেও কারন আছে।
এর কারন হল আমার সবচে প্রিয় মানুষ ও আমার এক্স GF এর প্রিয় কালার কালো। আর আমার প্রিয় কালার পিঙ্ক। তাইতো ব্লগ এর হেডার( Mark himu personal blog ) এর কালার পিঙ্ক।

Monday, March 28, 2011

ফেসবুক এ নতুন ফিচার প্রশ্নোত্তর বা Question

ফেসবুকে প্রশ্নোত্তর বা Question নামে নতুন একটা ফিচার যোগ করা হয়েছে। আপনি আপনার বন্ধুদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করতে পারবেন এবং তারা তার উত্তর দিতে পারবে। উদাহারন স্বরূপঃ-
 বিশ্বকাপ ক্রিকেট এ সেমিফাইনাল কোন দেশ জিতবে?
  ১)ভারত ।
  ২)পাকিস্তান ।

আপনার বন্ধুরা এখানে ভোট দিতে পারবে। যদি আপনার কোন বন্ধু প্রশ্নের উত্তর দেয় তবে তার বন্ধুদের নিউজ ফিডে সেই প্রশ্ন দেখাবে। এভাবে চেইন আকারে পুরো ফেসবুকে প্রশ্নটা ছড়িয়ে পড়বে। আপনার বন্ধু নয় এরকম ফেসবুক সদস্যরাও আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে যদি আপনি চান। শুধু মাত্র আপনার বন্ধু এবং তার বন্ধুদের করা প্রশ্নগুলো দেখতে পাবেন আপনি। যে ভাবে করবেনঃ


প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এ লগইন করুন। এরপর আপনার হোমপেজে Question ট্যাবে ক্লিক করুন এবং যে প্রশ্নটি করতে চান তা লিখুন এরপর Add pool এ ক্লিক করে যে অপশন দিতে চান তা  দিতে পারেন।ব্যাস হয়ে গেল আপনার Question করা। এখন আপনার বন্ধু এবং তার বন্ধুরা আপনার Question এর জবাব দিবে। আর বন্ধুদের করা প্রশ্নগুলো দেখতে পাবেন এই লিঙ্ক থেকে।
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...