Tuesday, February 26, 2013

পাকিস্তানী বাহিনী ও রাজাকারদের ধর্ষণ তাণ্ডব।

২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে সুইপার রাবেয়া খাতুন রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এস এফক্যান্টিনে ছিলেন।পুলিশদের প্রতিরোধ ব্যর্থ হবার পরে ধর্ষিত হন রাবেয়া খাতুন।সুইপার বলে প্রাণে বেঁচে যান কারণ রক্ত ও লাশ পরিস্কার করার জন্য তাকে দরকার ছিল সেনাবাহিনীর।এরপরের ঘটনার তিনি যে বিবরণ দিয়েছেন তা এইরকম :
২৬ মার্চ ১৯৭১,বিভিন্ন স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেয়েদের ধরে আনা হয়।আসা মাত্রই সৈনিকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে।তারা ব্যারাকে ঢুকে প্রতিটি যুবতী,মহিলা এবং বালিকার পরনের কাপড় খুলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে ধর্ষণে লিপ্ত হতে থাকে।রাবেয়া খাতুন ড্রেন পরিস্কার করতে করতে এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন।পাকসেনারা ধর্ষন করেই থেকে থাকেনি,সেই মেয়েদের বুকের স্তন ও গালের মাংস কামড়াতে কামড়াতে রক্তাক্ত করে দেয়,মাংস তুলে নেয়।মেয়েদের গাল,পেট,ঘাড়,বুক,পিঠ ও কোমরের অংশ তাদের কামড়ে রক্তাক্ত হয়ে যায়।এভাবে চলতে থাকে প্রতিদিন।যেসব মেয়েরা প্রাথমিকভাবে প্রতিবাদ করত তাদের স্তন ছিড়ে ফেলা হত,যোনি ও গুহ্যদ্বা্রের মধ্যে বন্দুকের নল,বেয়নেট ও ধারালো ছুরি ঢূকিয়ে হত্যা করা হত।বহু অল্প বয়স্ক বালিকা উপুর্যুপুরি ধর্ষণে নিহত হয়।এর পরে লাশগুলো ছুরি দিয়ে কেটে বস্তায় ভরে বাইরে ফেলে দেয়া হত।হেড কোয়ার্টারের দুই,তিন এবং চারতলায় এই্ মেয়েদের রাখা হত,মোটা রডের সাথে চুল বেঁধে।এইসব ঝুলন্ত মেয়েদের কোমরে ব্যাটন দিয়ে আঘাত করা হত প্রায় নিয়মিত,কারো কারো স্তন কেটে নেয়া হত,হাসতে হাসতে যোনিপথে ঢুকিয়ে দেওয়া হত লাঠি এবং রাইফেলের নল।কোন কোন সৈনিক উঁচু চেয়ারে দাঁড়িয়ে উলঙ্গ মেয়েদের বুকে দাঁত লাগিয়ে মাংস ছিড়ে নিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়ত,কোন মেয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে তখনই হত্যা করা হত।কোন কোন মেয়ের সামনের দাঁত ছিল না,ঠোঁটের দু’দিকের মাংস কামড়ে ছিড়ে নেয়া হয়েছিল,প্রতিটি মেয়ের হাতের আঙ্গুল ভেঙ্গে থেতলে গিয়েছিল লাঠি আর রডের পিটুনিতে।কোন অবস্থাতেই তাঁদের হাত ও পায়ের বাঁধন খুলে দেয়া হত না,অনেকেই মারা গেছে ঝুলন্ত অবস্থায়।
রাজারবাগ পুলিশ লাইনের একজন সুবেদার খলিলুর রহমানের অভিজ্ঞতা এইরকম :
মেয়েদের ধরে নিয়ে এসে,ট্রাক থেকে নামিয়ে সাথেই সাথেই শুরু হত ধর্ষন,দেহের পোশাক খুলে ফেলে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে ধর্ষণ করা হত।সারাদিন ধর্ষণের পরে এই মেয়েদের হেড কোয়ার্টার বিল্ডিং এ উলঙ্গ অবস্থায় রডের সাথে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখ হত,এবং রাতের বেলা আবারো চলত নির্যাতন।প্রতিবাদ করা মাত্রই হত্যা করা হত,চিত করে শুইয়ে রড,লাঠি,রাইফেলের নল,বেয়নেট ঢুকিয়ে দেয়া হত যোনিপথে,কেটে নেয়া হত স্তন।অবিরাম ধর্ষণের ফলে কেউ অজ্ঞান হয়ে গেলেও থামত না ধর্ষণ।
ডোম পরদেশীর বর্ণনা থেকে নিচের ঘটনাগুলি জানা যায় :
২৭ মার্চ,১৯৭১,ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালের লাশ ঘর থেকে লাশ ট্রাকে তুলতে গিয়ে একটি চাদর ঢাকা ষোড়শী মেয়ের লাশ দেখতে পান পরদেশী।সম্পূর্ণ উলঙ্গ লাশটির বুক এবং যোনিপথ ছিল ক্ষতবিক্ষত,নিতম্ব থেকে টুকরো টুকরো মাংস কেটে নেয়া হয়েছিল।
২৯ মার্চ শাখারীবাজারে লাশ তুলতে গিয়ে পরদেশী সেখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে নারী,পুরুষ,আবাল বৃদ্ধ বনিতার লাশ দেখতে পান,লাশগুলি পচা এবং বিকৃত ছিল।বেশিরভাগ মেয়ের লাশ ছিল উলঙ্গ,কয়েকটি যুবতীর বুক থেকে স্তন খামচে,খুবলে তুলে নেয়া হয়েছে,কয়েকটি লাশের যোনিপথে লাঠি ঢোকান ছিল।মিল ব্যারাকের ঘাটে ৬ জন মেয়ের লাশ পান তিনি,এদের প্রত্যেকের চোখ,হাত,পা শক্ত করে বাঁধা ছিল,যোনিপথ রক্তাক্ত এবং শরীর গুলিতে ঝাঝরা ছিল।
ঢাকা পৌরসভার সুইপার সাহেব আলীর ভাষ্যে ২৯ মার্চ তার দল একমাত্র মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে কয়েক ট্রাক লাশ উদ্ধার করে।তিনি আরমানীটোলার এক বাড়িতে দশ এগারো বছরের একটি মেয়ের লাশ দেখতে পান,সমস্ত শরীর ক্ষতবিক্ষত,জমাট বাঁধা ছোপ ছোপ রক্ত সারা গায়ে,এবং তার দেহের বিভিন্ন স্থানের মাংস তুলে ফেলা হয়েছিল।ধর্ষণ শেষে মেয়েটির দুই পা দু’দিক থেকে টেনে ধরে নাভি পর্যন্ত ছিড়ে ফেলা হয়েছিল।
৩০ মার্চ ঢাবির রোকেয়া হলের চারতলার ছাদের উপরে আনুমানিক ১৯ বছরের একটি মেয়ের লাশ পান সাহেব আলী,যথারীতি উলঙ্গ।পাশে দাঁড়ানো একজন পাক সেনার কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন মেয়েটিকে হত্যা করতে ধর্ষণ ছাড়া অন্য কিছু করার দরকার পড়েনি,পর্যায়ক্রমিক ধর্ষণের ফলেই তার মৃত্যু ঘটে।মেয়েটির চোখ ফোলা ছিল,যৌনাঙ্গ এবং তার পার্শ্ববর্তী অংশ ফুলে পেটের অনেক উপরে চলে এসেছে,যোনিপথ রক্তাক্ত,দুই গালে এবং বুকে কামড়ের স্পষ্ট ছাপ ছিল।
’৭১ এ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে পাকবাহিনীর একটি বিরাট ক্যাম্পে পরিণত করা হয়।এখানে বন্দী ছিলেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ছাত্রী মঞ্জিলা এবং তার দুই বোন মেহের বানু এবং দিলরুবা।।তাদেরকে আরো ৩০ জন মেয়ের সাথে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়,সার্বক্ষণিক প্রহরায় থাকতো দুজন সশস্ত্র গার্ড।এই মেয়েগুলোকে ওই ক্যাম্পের সামরিক অফিসারদের খোরাক হিসেবে ব্যবহার করা হত।প্রতি সন্ধ্যায় নিয়ে যাওয়া হত ৫/৬ জন মেয়েকে,এবং ভোরবেলা ফিরিয়ে দেয়া হত অর্ধমৃত অবস্থায়।প্রতিবাদ করলেই প্রহার করা হত পূর্বোক্ত কায়দায়।একবার একটি মেয়ে একজন সৈনিকের হাতে আঁচড়ে দিলে তখনই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।এই বন্দীশালায় খাবার হিসাবে দেয়া হত ভাত এবং লবন।
সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের একটি অনুসন্ধান থেকে জানা যায়,রংপুর ক্যান্টনমেন্ট এবং রংপুর আর্টস কাউন্সিল ভবনটি নারী নির্যাতনের জন্য ব্যবহার করা হত।এখানে বন্দী ছিল প্রায় একশ মেয়ে এবং প্রতিদিনই চলত নির্যাতন,যারা অসুস্থ হয়ে পড়ত তাদের হত্যা করা হত সাথে সাথেই।স্বাধীনতার পরে আর্টস কাউন্সিল হলের পাশ থেকে বহুসংখ্যক মহিলার শাড়ি,ব্লাউজ,অর্ধগলিত লাশ,এবং কংকাল পাওয়া যায়।প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা যায়,রংপুর থেকে প্রায় তিনশ/চারশ মেয়েকেঢাকা এবং অন্যান্য স্থানে পাচার করে দেওয়া হয়,তাদের আর কোন সন্ধান মেলেনি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যান বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের একটি গবেষণায়জানা যায় রাজশাহীর জুগিসশো গ্রামে মে মাসের কোন একদিন পাকবাহিনী ১৫ জনমহিলাকে ধর্ষণ করে এবং অন্যান্য নির্যাতন চালায়।এ অঞ্চলের ৫৫ জন তরুনীকেধরে নিয়ে যাওয়া হয়।বাঁশবাড়ীয়া গ্রামে পাকবাহিনী প্রায় দেড়শো জন বিভিন্ন বয়সী মেয়েকে ঘর থেকে বের করে প্রকাশ্যে ধর্ষণ করে।এদের মধ্যে ১০ জনের তখনই মৃত্যু হয়।
একই গবেষণা থেকে বাগমারা গ্রামের দেলজান বিবির কথা জানা যায়।সময়টা ছিলরমজান মাস,দেলজান বিবি রোজা ছিলেন।হঠাৎ পাকসেনারা ঘরে ঢুকে পড়ে এবং ধর্ষণশুরু করে।একই গ্রামের সোনাভান খাতুনকেও রাস্তার মধ্যে প্রকাশ্যে ধর্ষণ করা হয়।
১০ ডিসেম্বর যশোরের মাহমুদপুর গ্রামের একটি মসজিদ থেকে এগারোটি মেয়েকেউলঙ্গ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।তাদেরকে যুদ্ধের সময় প্রায় সাত মাস ধরেমসজিদের ভেতরেই ধর্ষণ এবং বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করা হয়।
যশোর ক্যান্টনমেন্টে চৌদ্দ দিন বন্দী থাকা হারেছ উদ্দিনের ভাষ্যে জানা যায়ক্যান্টনমেন্টে ১২ থেকে ৫০ বছর বয়সের ২৯৫ জন মেয়েকে আটক রাখা হয়েছিল,তাদেরউপর নির্যাতন চলত প্রতি রাতেই।হারেছ উদ্দিনের সেলটি বেশ খানিকটা দূরেথাকলেও নির্যাতনের সময় মেয়েদের চিৎকার তিনি শুনতে পেতেন।প্রতিদিন বিকেলে একজন সুবাদার এসে এসব কে কোথায় যাবে তার একটি তালিকা বানাত,সন্ধ্যা হলেই এইতালিকা অনুযায়ী মেয়েদের পাঠানো হত।অনেক সময় খেয়াল খুশিমত বাইরে নিয়ে এসেতাদের এলোপাথাড়ি ভাবে ধর্ষণ করা হত।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মাটিরহাট গ্রামের ফুলজান যুদ্ধের সময় আট মাসেরগর্ভবতী ছিল,তার বাবা মায়ের সামনেই তাকে কয়েকজন সৈনিক উপুর্যুপুরি ধর্ষণকরে।তার গর্ভের সন্তানটি মারা যায়।
কুমারখালির বাটিয়ামারা গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলামের বর্ণনায় একটি আপাত-অদ্ভুতঘটনা জানা যায়।ঐ এলাকার একজন রাজাকারকে একদিন দুজন পাকসেনা মেয়ে যোগাড় করেদিতে বললে সে তাদেরকে তার বাড়ি নিয়ে যায়,খবর পেয়ে বাড়ির সব মেয়ে পালিয়েগেলেও তার বৃদ্ধা মা বাড়িতে থেকে যান।সৈনিক দু’জন রাজাকারটির বুকে রাইফেলঠেকিয়ে পালাক্রমে তার মাকে ধর্ষণ করে।এর পরে রাজাকারটির আর কোন খোঁজ পাওয়াযায়নি।
নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে কম যায়নি বিহারীরাও।নৃশংসতায় তারা কোন কোন সময়ছাড়িয়ে গিয়েছিল পাকবাহিনীকেও।২৬ মার্চ ’৭১ মীরপুরের একটি বাড়ি থেকেপরিবারের সবাইকে ধরে আনা হয় এবং কাপড় খুলতে বলা হয়।তারা এতে রাজি না হলেবাবা ও ছেলেকে আদেশ করা হয় যথাক্রমে মেয়ে এবং মাকে ধর্ষণ করতে।এতেও রাজি নাহলে প্রথমে বাবা এবং ছেলে কে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয় এবং মা মেয়ে দুজনকে দুজনের চুলের সাথে বেঁধে উলঙ্গ অবস্থায় টানতে টানতে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
খুলনার ডাঃ বিকাশ চক্রবর্তীর কাছ থেকে জানা যায়,সেখানকার পাবলিক হেলথ কলোনিএলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ে স্থাপিত ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক মেয়েকে(প্রায় সববয়সের) আটকে রেখে পূর্বোক্ত কায়দায় নির্যাতন চালানো হয়।যুদ্ধ শেষেক্যাম্পের একটি কক্ষ থেকে কয়েকটি কাঁচের জার উদ্ধার করা হয়,যার মধ্যে ফরমালিনে সংরক্ষিত ছিল মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন অংশ।অংশগুলি কাটা হয়ে ছিল খুব নিখুঁতভাবে।
- ওহে ছাত্রীসস্থা, দেখো তোমার বয়সের অনেকেই ওরা, ওদের ও তোমার মত দু চোখ ভরা স্বপ্ন ছিল। নরক যন্ত্রণা ভুগিয়ে ওদের স্বপ্ন গুলো যারা কেড়ে নিল বা নিতে সাহায্য করলো তাদের তুমি আজ আলিম মানো অতচ দেখো কি বীভৎস কি হিংস্র জানোয়ার ছিল এরা।
২০১৩ না হয়ে যদি এখন ১৯৭১ হত। তোমার ও এমন এমন পরিনতি হতে পারতো। তখন হয়তো তোমার পরিবারকেও ৪২ টা বছর দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করতো হত খুনি, ধর্ষকের আস্ফালন।
বোন, জামাতে ইসলাম ছাত্রীসস্থা পয়দা হওয়ার ১৪০০ বছর আগে থেকে ইসলাম এই দুনিয়ায় মনবতার জয়গান গেয়ে যাচ্ছে আর জামাত শিবির তো সেইদিনের জারজ।আমাদের পূর্বপুরুষ জামাত করে নাই বলে তারা কি মুসলিম ছিল না? এখন নতুন করে একদল খুনি ধর্ষক ভেকধারীদের কাছ থেকে আমাদের নতুন করে ইসলাম শিখতে হবে ?? ভেবে দেখো বোন, একটু ভেবে দেখো।

Saturday, December 22, 2012

সভ্যতার অসভ্যতায় ভেসে যাচ্ছে আগামীদিনের ভবিষৎরা !!!

ছাত্রদের বইয়ের ভেতর,মানিব্যাগে,বালিশের নীচে,বিছানার নীচে আগে পাওয়া যেত চিঠি,প্রেমিকার দেওয়া উপহার!আর এখন পাওয়া যায় বিভিন্ন ফ্লেভারের কনডম !ভালবাসার মানুষটির সাথে দেখা হবার আগের রাত টেনশনে ঘুম হত না কিভাবে কথা বলবে,চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবে চুপটি করে এসব নিয়ে।কিন্তু এখন দেখা করতে যাবার আগ থেকেই প্ল্যান শুরু হয়ে যায় কিভাবে সেক্স করবে..কখন কনডম ব্যবহার করবে...
খুলনা বিএল কলেজে পুলিশের অভিযানে ছাত্রলীগের দখলে থাকা হলে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ছাত্রদের বিছানার নিচে পেয়েছে ডজন ডজন কনডম এবং মধু !রাজশাহী ভার্সিটির একটি বিশেষ জায়গা আছে যেখানে কনডমের ছড়াছড়ি।
জাহাঙ্গীর নগর ভার্সিটির কথা কি আর বলব।নিজ চোখেই সন্ধ্যার পর যা দেখেছি রাত ৮টার পর কি হয় ওখানে সহজেই অনুমান করা যায়.. ইডেন কলেজের ছাত্রলীগের নারীদের সাধরন ছাত্রীদের হাত কনডম ধরিয়ে দিয়ে নেতার কাছে পাঠানো... সব মিলিয়ে কি করছে এই যুগের স্টুডেন্টরা!
শুধু কলেজ ভার্সিটি না বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পাশের চন্দ্রিমা উদ্যানের ১ম ২য় গলিতে ঢুকলে দেখবেন কনডমের অভাব নাই!২০১১তে চন্দ্রিমা উদ্যানে হাঁটতে গিয়ে যা দেখেছি ভাবতেই অবাক লেগেছে চন্দ্রিমা উদ্যানে একজন সাবেক রাষ্ট্রপতির কবর!
বিশ্বাস করেন আর নাই করেন ইন্টার পর্যন্ত কনডমকে জানতাম ফোটকা হিসেবে।ইন্টার 1st ইয়ারেও আমরা দোকান থেকে ফোটকা তথা কনডম কিনে ফুলিয়ে ভেতরে পানি ঢুকিয়ে একজন আরেকজনের গায়ে ঠাস করে মেরে ভিজিয়ে দিতাম।কখনও জানতেও ইচ্ছা হয়নি রাজা কনডম আসলে কি কাজের!দোকানদারও সন্দেহ করেনি আমরা কোন কুকাজ করব!আর এখন এসএসসি পড়ুয়ারাও কনডমের সঠিক ব্যবহার জানে !

Saturday, May 26, 2012

সেই মেয়েটি !!!!!

মেয়েটি প্রতিদিনই বলেঃ "শোন, তোমার এক মাসের বেতন আমার একদিনের হাত খরচ। তোমার সাথে সম্পর্ক করব আমি!!! ভাবলে কি করে!?! আমি তোমাকে কখনই ভালবাসতে পারব না। করুনা করেও না। মায়া হয় তোমার জন্য আমার কিন্তু ভালবাসা যায় না। তাই তুমি ভুলে যাও আমাকে। তোমার যোগ্যতা অনুযায়ী কাউকে ভালবাসো!!! আমাকে নয়!! ছেলেটি তারপরেও মেয়েটিকে ভুলতে পারে নাই!! সে এমন কিছু করল যাতে মেয়েটি ঘৃণায় তার কাছে কোন দিন ফিরে না আসে। " গল্পটি এখানে শেষ হলেও হতে পারতো কিন্তু . . . ••• ১০ বছর পরে হঠাৎ একদিন ••• ঐ মেয়েটি আর ছেলেটির একদিন এক শপিংমলে দেখা হয়ে গেল। দেখা হবার পর মেয়েটি বললঃ "আরে তুমি! কেমন আছ? জানো? আমার বিয়ে হয়ে গেছে! আর আমার স্বামীর বেতন কত জানো! প্রতি মাসে এক লাখ টাকা!!! তুমি কল্পনা করতে পারো? আর আমার স্বামী দেখতেও অনেক স্মার্ট!একেবারে সেইরকম!!! বুঝলে তুমি!?! আচ্ছা!!! তোমার কপালে কেউ জুটেছে নাকি? মেয়েটির এমন কথা শুনে ছেলেটির চোখে পানি এসে গেল. . . . এর কিছু সময় পরেই মেয়েটির স্বামী চলে আসলো। তখন মেয়েটি কিছু বলার আগেই ওর স্বামী বলতে লাগলো ছেলেটিকে দেখেঃ . . . . "আর এ স্যার আপনি!! এখানে কি মনে করে!!! তারপর মেয়েটিকে উদ্দেশ্য করে ওর স্বামী আরো বলতে লাগলো.... উনি আমাদের বস, আর স্যার বর্তমানে যে ২০০ কোটি টাকার প্রোজেক্ট হাতে নিয়েছেন সেটা আমিই স্যারের অধীনে কাজ করছি।আর মজার ব্যাপার কি জানো!!! স্যার একটা মেয়েকে ভালোবাসতো। তাই এখনও পর্যন্ত বিয়েই করে নাই। মেয়েটা কি লাকি তাই না!!! কয়জন এমনভাবে ভালবাসতে পারে?" ••• গল্পটির এখানেও সমাপ্তি হয় না... কারন এ ধরনের গল্পের কোনো সমাপ্তি নেই... তবে এটাই সত্যিকারের ভালবাসা... জীবনটা এক অর্থে অনেক বড়। কাউকেই ছোট করে দেখতে নেই। সময়ে এর স্রোতে অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। সুতরাং কাউকে ছোট না ভেবে সবার ভালবাসাকেই সম্মান করা উচিত...!!

Saturday, March 17, 2012

রাতের আঁধারে আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা (না পরলে মিস করবেন)

তখন রাত ঠিক ১২ টা ২৪ মিনিট, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১২।
আমি গাজীপুরে কাজ শেষ করে চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে। এত রাতে মতিঝিল যাব কি করে? আমার বাসা ওখানে।
রাস্তায় দু-চারটা কুকুর ছাড়া আর কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। বুঝলাম বাসায় যাওয়া হবে না। তাই ঠিক করলাম মামার বাসায় যাব। মামার বাসা শিববাড়ি শ্মশান গাঁট। মামাকে ফোন করলাম। সে মুটামুটি ঘুমের ঘোরে। আমাকে তার বাসায় যেতে বলল। এমন সময় সামনে একটা টেম্পু দেখতে পেলাম, শিববাড়ির দিকে যাচ্ছে। এক দৌড় দিয়ে উঠলাম। ঠিক ১২ টা ৩৪ মিনিট আমি শিববাড়ি পৌঁছে গেলাম। রাস্তায় কোন রিকসা নাই,এখন শ্মশান গাঁট যাব কি করে। এত রাতে পোঙ্গামারা খাওয়ার সম্ভাবনা অতি। তাই হেঁটে যাওয়ার রিস্কটা নিতে চাচ্ছিলাম না। ঠিক এমন সময় একটা লোকাল বাস আমার সামনে এসে দাঁড়াল। আমি অতি উৎসাহের সহিত জিজ্ঞাস করিলাম, কই জাইব মামা? সে উত্তর দিল "ঢাকা"।
আমি একখানা বড় লম্ফ মারিয়া বাস খানায় উঠিয়া পরিলাম। মোটামোটি ১৮-২০ জন যাত্রী ছিল। আমি কানে হেডফোন লাগাইয়ে গান শুনিতে লাগিলাম।
বাস পুনরায় চৌরাস্তা ছাড়িয়া ঢাকা মুখি পথে চলতে লাগল। এরই মধ্যে কিছু যাত্রী উঠানামা করল। হটাৎ খেয়াল করিলাম রাতের মানুষরা অনেকটা ভিন্ন প্রকৃতির। অনেক শ্রেণী পেশার মানুষ যাদের দিনের বেলা তেমন দেখা যায় না। রাতে বাস ভাড়া বেশি, দিনের ১.৫ গুন। অনেকে ভাড়াও দিতে পারে না। আমার দেখা তিনজন ভাড়া দিতে পারল না। কনট্রাকটর তাদের কিছু বলল না। শুধু বলল বইসা থাকতে। এরপর একসময় ওরা বাস থেকে নেমে পরল। এমনি ভাবে কেটে গেল আরও কিছুক্ষণ লক্ষ করলাম বাস এর যাত্রী আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। একসময় বাস পুরাই খালি হইয়া গেল। বাসএ আছি আমি, ড্রাইভার আর কনট্রাকটর। রাস্তায় মাঝেমাঝে একটা দুইটা ট্রাক দেখা যায়। ড্রাইভার আমাকে সামনে যেতে বলল। আমি গেলাম। সে আমাকে বলল সে আর যেতে পারবে না। বাস এ যাত্রী নাই। তার নাকি মতিঝিল যেতে ২০০০ টাকার তেল পুরবে। সে হাইদা পোঙ্গামারা খাইতে নারাজ। তখন রাত ১ টা ৩০ মিনিট । সে আমাকে আব্দুল্লাপুর নামাইয়া দিতে পারে। এর বেশি সে যাবে না। বাস এর সামনের সিট এ বইসা পোঙ্গামারা হজম করলাম। আমার নামার সময় হল। এমন সময় একটা বি আর টি সি পিছন থেকে আসতেছে। বাস এর ড্রাইভার রাস্তা ব্লক করল। আর আমকে ঐ বাসএ গিয়া উঠতে বলল। ঐ বাস নাকি এয়ারপোর্ট যাবে। আমি নামব, ঠিক তখন কয়েকটা যাত্রী এসে বাস এ উঠল। যাত্রী দেইখা ড্রাইভার হালার ত বিচি কান্ধে। সে কয় এখন সে নাকি জাইব। ওকে
আবার বাস চলতে লাগল। অবশেষে এয়ারপোর্ট আইসা সবাই নাইমা পরল। এখানে কয়েকটা দোকান ছাড়া আর কিছু খোলানাই। কোন গাড়ি ও নাই। এখন কি করি?? একটা বিড়ি জালাইয়া রাস্তায় খারাইয়া চিন্তা করতে লাগলাম। এখন কি করুম...।
কোন ট্রেন ও নাই। ভাবলাম খালার বাসায় চইলা জামু। এয়ারপোর্ট দক্ষিণখান খালার বাসা। জেই কথা সেই কাজ। একটা ব্যাটারি চালিত অটো গাড়ি থেকে ডাকতাছে দক্ষিণখান দক্ষিণখান...! আমি পদ পিষ্ট করিয়া বিড়ি খানা নিভাইয়া, দিলাম এক দৌড়। গিয়া অটো গাড়িতে উঠিয়া বসিলাম। দেখলাম খুব ভাল প্রজাতির মানুষ সেখানে নাই। সবাই পিনিকে !! ড্রাইভারও পিনিকে পিনিকে আস্তে ধীরে অটো চালাইতাছে। রাত ২ টা সময় এর চেয়ে ভাল কি আর আসা করা যায়... হাজীক্যাম্প পার হওয়ার পর একজন নামিয়া পড়িল। নির্জন রাত, আশে পাশে কোন সাড়া শব্দ ও নাই। এরই মধ্যে আমার পিতা মহাশয় ফোন করিয়া
করিয়া পাগল করিয়া দিতাছে। এমন সময় অটো ব্রেক করল। আমি ভাবলাম এই বুঝি পোঙ্গামারা খাওয়ার টাইম হইল। কিন্তু না। এক কমলা সুন্দরী (আমরা যাদেরকে যৌনকর্মী বলি) অটোতে উঠে বসল। পাশের এক গলি থেকে এক ল্যাচ্চর সম্রাট তাকে ভোগ করিয়া রাস্তায় ছাড়িয়া দিয়া গেল। কমলা সুন্দরীকে দেখিয়া বুঝাই যাচ্ছিল, এই মাত্র সে কাম দিয়া রাস্তায় বের হইয়েছে। তার কাপড় চোপড় ও একটু অগছালো ছিল। ব্লাউজের পাশদিয়া ব্রা এর ফিতা বের হইয়া ছিল। কমলা সুন্দরী আমার ঠিক সামনে বসিয়া ছিল। আমার ঠিক পাশের জনের দিকে তাকাইয়া দেখি ঐ সালা হা কইরা তাকাইয়া সুন্দরীর ব্রা গিলতাছে। কমলা সুন্দরী চোখের পাতার নিচ দিয়া মিটমিট কইরা আমার দিকে তাকাইতাছে। আমি অন্য দিকে তাকাইয়া আছি। এমন সময় আবার ও এক জন নামিয়া পড়িল। এখন অটোতে আছি আমি, ব্রা গিলা লোক আর কমলা সুন্দরী। সুন্দরী আমার হাঁটু তে একটা খুঁচা দিল। আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকালাম, বুঝলাম মাগি আরও **** খাইতে চায়। সে আবার কাস্টমার খুজতাছে। সে আবারো হাঁটু তে একটা খুঁচা দিল আর বলল ইয়েয়ে...ভাইয়া। আমি বললাম কি?? সে আবার বলল ইয়েয়ে...ভাইয়া। এই বার আমি জোরেই বললাম কি হইছে?? সে চুপ হইয়া গেল। এরই মধ্যে আমি দক্ষিণখান বাজার এসে পরলাম। তখন রাত ২ টা ৩০ মিনিট, আমি অটো গাড়ি থেকে নামলাম। সব কিছু আপরিচিত লাগছে। দোকান পাঠ সব বন্ধ। পিছনে এক নজর ফিরে তাকালাম, দেখলাম ব্রা গিলা লোক আর কমলা সুন্দরী নষ্টামো শুরু কইরা দিছে। কিছু না ভাবিয়া হাঁটা আরম্ব করলাম এক পথ ধরে। ঠিক বাজার এর মধ্যে দিয়ে। তখন ও বুঝতে পারি নাই যে এরপর সবচে বড় মাইণকার চিপায় পরব। ১০ কদম যাওয়ার পর হটাৎ এক কত্তা আমার সামনে আইসা দাঁড়াইল। আমি এক কদম সামনে দিতেই ঘেউ ঘেউ করিয়া আমার প্যান্টের মধ্যে এক কামর বসাইয়া দিল। সঙ্গে সঙ্গে আরও ৯-১০ টা কুকুর আমারে ঘিরা ধরল। আর ঘেউ ঘেউ শুরু করল। একটা লাফ দিয়া আমার উপর ঝাপাইয়া পরল। উপায় না পাইয়া দিলাম এক ভূ দৌড়। আমার সামনে ২ টা পাশে ৩-৪ টা আর বাকি গুলা আমার পিছনে। উনারা কামড়ানোর চেষ্টায় বার্থ। উনাদের ঘেউ ঘেউ শব্দে নাইট গার্ড ও আরও কয়েক জন বাঁশি ফুয়াতে ফুয়াতে দৌরে আসছে... বুঝতে আমার আর বাকি নাই যে "ধরা পরলে কুকুরের কামর আর মানুষের হাতে গণ মার খাইয়া চোর এর অপবাধ ঘারে লইয়া এ জনম চিরতরে ত্যাগ করিতে হইবে।" আমি কোন রকম বাজার টা পাস করিয়া এক দৌড় এ খালার বাড়ির রাস্তায় গিয়া উঠিলাম। খেয়াল করিলাম কুত্তা বাবাজীরা আর আমার পিছনে নাইকা। হাফ ছারিয়া বাঁচিলাম। বুঝিলাম আমি এখন উনাদের (কুত্তা) আওতার(বাজার) বাহিরে। খালাত্ত ভাই স্যাম আজগর রে ফোন দিলাম। হালার মোবাইল বন্ধ। ওহার বিগ ব্রাদাররে ফোন দিলাম। এরপর তাহারা আইসা গেইট খোলিল। আবশেসে পোঙ্গামারা সহ্য করিতে করিতে রাত ৩ টায় বাসায় গিয়া পৌঁছলাম। পৌঁছতে না পৌঁছতে খালাত্ত ভাই স্যাম আজগর জিগাইতাছে ব্যান্ডউইথ আন্সি নাকি?? আমি ত টাসকি !! আবে হালায় কয় কি ?? জান লইয়া আইবার পারি না । আর হালায় ব্যান্ডউইথ(বিড়ি) চায়। আমরা এক সাথে অন লাইন এ কাজ করি তাই সব কিছুকে একটু ভিন্ন ভাবে বলি। যেমনঃ বিড়ি=ব্যান্ডউইথ । এরপর একটা গোসল দিলাম। আর খেয়াল করলাম, কুকুরের কামরে ২ যায়গাতে প্যান্ট চিঁরে গেছে। ঐ দিন রাতে ৩ পিছ বিস্কুট ছাড়া কপালে আর কিছুই জোটেনী।

Monday, March 5, 2012

বাঙ্গাল ছলছিত্র লালটিপ দর্শন থুক্ক ধর্ষণ !! :P

বেশ কিছুদিন হইতেই দেশ ও জাতির চিন্তায় নিদ্রা আসিতেছিলো না।এই অধম খালি ফেসবুক আর ব্লগ তোলপাড় করিয়া ফেলিতেছে,অথচ দেশ ও জাতির উন্নয়নের জোয়ারে তাহার ভুমিকা কি?এরুপ চিন্তায় আচ্ছন্ন হইয়া ভাবিলাম কিছু একটা করা দরকার।তবে দূর্যোধন যেহেতু সাধারন কিছু করিয়া উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিবেনা ,সুতরাং অসাধারন কিছু একখানা করার বাসনায় ভাবিলাম-সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বাঙ্গালা চলচ্চিত্রের দর্শন করিয়া দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখি।



৫৫ টাকার টিকেটে কি আর অত অর্থনীতির চাকা সচল হয়? সুতরাং বসুন্ধরার প্রেক্ষাগৃহে যাইয়া ১৫০ টাকার টিকেট কিনিয়া স্বেচ্ছা-পোঙামারা খাইবার ব্যবস্থা করিলাম। পোঙামারা খাওয়া সুদৃঢ় করিবার নিমিত্তে সর্বভুক একখানা ছোটভাইকে খবর দিলাম।লাফাইতে লাফাইতে উহাকে লইয়া বসুন্ধরায় হাজির হইলাম।উহাকে বলিলাম,'কি ছবি দেখা যায় ?'' ,একগাল হাসিয়া ছোটভাই বলিলো,''কুসুমের রান'' । থতমত খাইয়া গেলাম,বলে কি? এরুপ অশ্লীল নামের ছবি বসুন্ধরার মতন সুশীল সমাজে?দেশটা রসাতলে গেলো বুঝি !মনের ভাব পড়িতে পারিয়া ছোটভাই বলিলো,''আজ্ঞে,লাল টিপ দেখিবো'' ।

রাগ হইলাম,বলিলাম,''তবে কুসুমের রান বলিলি কেন'' ? , চালিয়াৎমার্কা হাসিয়া ছোটভাই বলিলো,আজ্ঞে,স্লিপ অফ টাং,উক্ত পোস্টার দেখিয়া জিহবা পিচ্ছিল হইয়া গিয়াছে '' -বলিয়া পোস্টারের দিকে আঙুল তুলিলো।


পোস্টার দেখিয়া দীর্ঘশ্বাস ফেলিলাম, স্লিপ অফ টাং অথবা জিহবা পিচ্ছিল হওয়াই স্বাভাবিক।দেশ ও জাতির অর্থনীতির চাকা সচল করিতে উহাকে টাকা ধরাইয়া দিলাম,ছোটভাইকে অভিজ্ঞ মনে হইলো।দুদ্দার করিয়া এক্সপার্টের ন্যায় টিকেট কাটিয়া মায় অন্ধকারের মাঝে সীটও খুজিয়া বসাইয়াও দিলো !

বসিতে না বসিতেই খেয়াল হইলো প্রেক্ষাগৃহে দর্শককূল জোড়ায় জোড়ায় বসিয়া আছে,আমার ঠিক বাদিকেই আসিয়া বসিলো প্রেমাতুর কপোত-কপোতি আর ডানদিকে ছোটভাইয়ের পাশে বসিলো এক হতচ্ছাড়া বছর দশেকের হোৎকা বালক।ছোটভাইকে বলিলাম,'এই হোৎকা বালক বাংলা ছবি দেখিতে আসিয়াছে,নির্ঘাত স্কুল পালাইয়াছে,দেশের বালকসমাজের অবক্ষয়....উহার মা-বাবাকে পাইলে উচিত কথা শুনাইয়া দিতাম..... ''ইত্যাদি !!

ছোটভাই আশ্বস্ত করিলো,'উহার পাশে উহার মা-ও আছে '' ! ভীমদর্শন মহিলার বপু দেখিয়া কথা আর বাড়াইলাম না।

ছবি শুরু হইতে না হইতে সবাই দাড়াইয়া গেলো,ছোটভাই বলিলো,উঠেন উঠেন !! আমি বুঝিতে পারিলাম না কি হইয়াছে ! সে বলিলো,জাতীয় পতাকা খাড়া করা হইয়াছে,তৎক্ষনাৎ আমার দেশপ্রেম জাগিয়া গেলো,বুকের বাম হাত ঠেকাইয়া সম্মান প্রদর্শন করিতে গিয়া খেয়াল হইলো,সামনে আরেকজোড়া ককপোত-কপোতী নিজেদের মাঝে প্রেমপ্রদর্শনে ব্যাকুল।
'ওরে,এইখানে খাড়া না হইলে ঐখানেও খাড়া হইবেনা রে !!' বলিয়া হাঁক দিতে গিয়া থামিয়া গেলাম।সুশীল প্রেক্ষাগৃহের সম্মান বলিয়া কথা !!


ছবি শুরু হইলো,মহান পরিচালক বাঙালকে প্যারিস দেখানো শুরু করিলেন।প্যারিসের বিশিষ্ট বাঙালী সাচ্চু সাহেব ও তার স্ত্রী মেমী শ্যালিকা নিধি (কুসুম শিকদার) ও তাহাদের একখান কন্যা (শিশুটির নাম খেয়াল নাই,বড়ই কিউট) লইয়া সমাজসেবা করিতে ব্যস্ত।কুসুম শিকদারের সহিত তাহারা অর্নব (ইমন) নামক রমনীর বিবাহ করানো ঠিক করিয়া ফেলিয়াছেন।কিন্তু কুসুম শিকদার আবার আরেকখানা ইয়ে,উনি তাহার বিদেশী বয়ফ্রেন্ড লরেনবাবুকে চুম্মা দিতে দেন না,কারন তাহার কাছে দেশ-মাতৃকা-সমাজ-সংস্কৃতি ইত্যকার বিষয় ''আগে আসলে আগে পাইবেন ভিত্তিতে'' থাকে।তবে উনি আবার বাঙাল মুলুকের রাজকন্যা ইমনকে বিবাহ করিতে চান না।

সাচ্চু সাহেব ঠিক করিলেন কুসুম রাজি না হইলেও ইমনের সাথে উনি বিবাহ বসাইয়া ছাড়িবেনই।সুতরাং কুসুম তাহার স্ম্লেচ্ছ বয়ফ্রেন্ডের বাসায় পালাইয়া যাওয়া ঠিক করিলেন।এইখানে দেখিলাম আজব কাহিনি,সারা জীবন শুনিয়াছি মানুষ এক কাপড়ে পালায়,উনি দেখি রাস্তাঘাটে টুকিটাকি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র যা কিছু আছে,সব সংগ্রহ করিয়া গায়ে জড়াইয়া লইয়াছেন(একটা জিনিস অবশ্য কমন-উহা হইলো লং আন্ডু,যাহাকে আপনারা টাইটস বলিয়া থাকেন ) ।উহার বয়ফ্রেন্ড আবার বিশ্বপ্রেমিক টাইপ মহাপুরুষ,এই বয়ষ্ক প্রেমিককে পরিচালক কোথা হইতে যোগার করিয়াছেন আল্লা মালুম !আধাবুড়া লরেন সাহেব আবার গোটাদশেক বান্ধবীর সাথে রাতযাপন করেন,কুসুমকে 'ইন্ডিয়ান মসলা' বলিয়া হালকা রগড়ও করেন,মানে ব্লগীয় পরিভাষায় ব্যাটা একখানা লুল !

তো,কুসুম পালাইয়া লরেন সাহেবের বাসায় চলিয়া আসিলেন,ঐদিকে প্যারিসের বাঙালী কম্যুনিটিতে ছিছি পড়িয়া গেলো,ইমন সাহেব কুসুমকে খুঁজিতে বাহির হইলেন।লরেন কুসুমকে বলিলেন,সন্ধ্যা ৬টায় উনি ফিরিবেন।সুতরাং ততক্ষন কুসুম যেন বিশ্রাম করিয়া লয় ( হারামজাদা আপিসে করেটা কি ?পুরা ছবিতেই উহাকে রগড় করিতে দেখিলাম।কে জানে রগড় করাই তাহার চাকরি কিনা ) !
ঐদিকে কুসুম তাহার বয়ফ্রেন্ডের বাসায় ঘি মাখন তেল খুজিতে গিয়া পাইলেন গোটাতিনেক ছেড়া কনডোম ! ছোটভাই বলিলো,ইহা কি ??আমি আহলাদিত হইয়া বলিলাম,পরিচালকের সিম্বোলিক শট দেখিয়াছিস?কনডোম দেখাইয়া বুঝাইয়া দিলো-লরেন ক্ষমতাবান,রুপবান,গুনবান এবং বীর্যবান!!
এরসাথেই কুসুম পাইলেন একখানা ব্রা আরেকখানা রাতপোষাক (উহা কি,তা নিশ্চিত হইতে গিয়া ছোটভাইয়ের দিকে তাকাইলাম,সে দেখি হাঁ করিয়া ব্রা গিলিতেছে )।কুসুমের সাথে সাথে দর্শকও বুঝিলো লরেন ব্যাটায় লুল,তাহাদের আহাউহুঁ শুনিয়া আমিও বুঝিলাম-ফরিদুর রেজা টাকলু আর পরিচালক ব্যাটাও লুল।এরই মাঝে লরেনের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করিলেন লরেনব্যাটার এক্স গার্লফ্রেন্ড।উনি কাঁদিয়া কাটিয়া বলিলেন লরেন আরো ৭০ মহিলার সাথে রগড় করিতেছে ( রোসো ! ব্যাটা ইহজনমেই ৭০টা হুর পাইয়া গেলো)। এতগুলা কনডোম আর বক্ষবন্ধনী দেখিয়া ভয়েই কিনা,কুসুম পালাইলেন।

কুসম পালাইলেন,তাহাকে ধরিতে লরেন ব্যাটায় সন্ধ্যা ৬টায় আসিলো!( কুসুমের রূপেই কিনা,চারিদিকে তখন দিবা ১২ ঘটিকার আলো !! ) দুঃখের গান ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজিলো,ইমন একখানা পুল ধরিয়া হাটিতে হাটিতে কুসুমকে খুঁজিতে লাগিলেন,আমিও নিশ্চিত হইলাম এইবার হইবে থ্রীসাম ,মানে তিনজনের দেখা।আমার অভিজ্ঞতা ভুল প্রমান হইলোনা,লরেন আসিয়া বলিলো কুসুমকে লইয়া সে হানিমুন বানাইয়া ইয়ে করিবে,ইমন সাহেবের পৌরুষে লাগিলো,উনি একখানা ঘুঁষি হাকাঁইলেন,ফলাফলস্বরুপ লরেন সাহেব ভূপাতিত।ছোটভাই বলিলো,''ধুস শালা!এক ঘুঁষিতেই শেষ ?'' । আমি বলিলাম,'' লরেন সাহেবের ৭০ হুর পুষিতে খরচটা কোন দিক দিয়া যায়,তা যদি বুঝিতে !! ''
অবিবাহিত ছোটভাই চুপ মারিলো।
এরপর যা হইবার তাই,ইমন সাহেবের ফ্ল্যাটে গিয়া কুসুম উঠিলেন,ইমন সাহেব তার সতীপনা দেখাইতে পার্কে গিয়া ঘুমাইলেন।এর মাঝে কুসুমও ঘুম হইতে উঠিয়া নাচিয়া কুঁদিয়া লইলেন,অতঃপর বাহিরে গিয়া দেখিলেন ইমন সাহেব কোনো এক বিদেশিনীর সাথে গাল ঘষাঘষি করিয়া সম্ভাষন জানাইতেছে।ইহাতে তাহার খুব রাগ হইলো,ইমনের সাথে সম্পর্কছেদের ঘোষনা দিলেন।

ইন্টারমিশন শুরু হইতেই সর্বভুক ছোটভাই বলিলো ক্ষুধা লাগিয়াছে।ভয়ে ভয়ে বলিলাম বাইরে চলো,বিড়ি টানিয়া আসি।সে হাস্যভরে তাচ্ছিল্য করিয়া বলিলো,বাহিরে যাওয়া যাইবেনা,ওয়ান ওয়ে টিকেট। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের প্যাকেট দেখিয়া উহাকে আঙুল দেখাইয়া বলিলাম,উহা খা। সে বলিলো,''পপচিকেন ?'' ।মুর্খ আমি মাথা নাড়াইয়া সায় দিলাম।বিল দিতে গিয়া দেখি ভালোই খসিলো,বলিলাম ''ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কি এত দামী নাকি রে ?'',সে বলিলো,আপনি পপচিকেন চেনেনা ?মুরগীর প্যাকেটের দিকে তাকাইয়া পোঙামারা হজম করিলাম।

ইন্টারমিশন শেষ হইতেই আবার গান শুরু।কুসুম শিকদার সপরিবারে টাঙাইল চলিয়া আসিয়াছেন,তবে এই মোবাইলের যুগে উনি ইমন কে তাহার আসিবার কথা জানাইতে বেমালুম ভুলিয়া গিয়াছেন।নিশ্চিতভাবেই উনি উনার জোড়াতালি মার্কা পোষাকগুলি আনিতে ভুলেন নাই।ঐ গন্ডগ্রামের মাঝেই উনি গামবুট,কোট,মিনিস্কার্ট,ফ্রক এবং অবশ্যম্ভাবীরুপে টাইটস পরিয়া ঘুরিতে লাগিলেন।ইমন সাহেবও প্যারিস হইতে ঢাকায় চলিয়া আসিলেন।শুরু হইলো খোঁজ দ্যা সার্চ।খিক খিক হাসি শুনিয়া পাশের কপোত কপোতীর দিকে তাকাইলাম,নিজেদের মাঝেই কুসুম আর ইমন কল্পনা করিয়া লীলাখেলা শুরু হইবে হইবে অবস্থা। নজর চলচ্চিত্রের দিকে ফিরাইলাম,সবাই তো আর দূর্যোধনের মত সাধু নহে।

এইদিকে ভাঁড়ামী কিছু চরিত্র থাকিতেই হয়,এই ছবিতে তাহার ব্যাতায় ঘটিলোনা। চেয়ারম্যান চাচা আর ভাতিজা মিলিয়া গনহারে কাতুকুতু দেয়া শুরু করিলেন।হাই তুলিয়া আমি পাশের হোৎকামত বালককে চোখ মারিলাম,''ছবি কিবা ??'',বালক বলিলো,''বলিউড নকল'' । আমি আবার চোখ মারিলাম,''নায়িকা কি বা?? '',বালক আমাকে হতভম্ব করিয়া চোখ মারিলো,বলিলো-''জব্বর''।

হতচকিতভাবটা কাটাইয়া আবার নজর দিলাম,ইউনেস্কোতে ফোন করিয়া কুসুম ইতমধ্যে ইমনের বাংলাদেশের ঠিকানা জানিয়া গিয়াছে বলিয়া গুরুনিতম্ব দুলাইতেছে,অন্যদিকে ইমন বন্ধুর মাধ্যমে কুসুমের গ্রামের বাড়ীর ঠিকানা জানিয়া গিয়াছে বলিয়া বিশেষ অঙ্গ দুলাইতেছে,পাশে আমার ছোটভাইয়ের শরীর দুলিতেছে বলিয়া উহার দিকে তাকাইলাম।সে উক্ত বালকের সাথে বাহাসে ব্যস্ত ।বলিলাম,''কি হইয়াছে?'' ছোটভাই বলিলো,''পানির বোতল রাখিয়াছিলাম,হোৎকাবালক দাবী করিতেছে এই বোতল নাকি উহার !!''। ঘটনা দেখিয়া সিদ্ধান্তে আসিলাম,বালক খালি চরিত্রহীনই নয়,চোট্টাও বটে !

এরইমাঝে হারাইয়া যাওয়া নায়ক-নায়িকার দুইজনের একত্রে কোনো এক স্থানে দেখা হইয়া যাইবার সম্ভাবনা দেখা দিলো।আমি ছোটভাইকে বলিলাম ,'ছবি শেষ হইতে কতক্ষন আছে'? সে বলিলো '২৫ মিনিট' । আমি বলিলাম,'নায়ক নায়িকার দেখা হইবেনা।'আমার ভবিষ্যতবানী অক্ষরে অক্ষরে মিলিলো,বিশালাকায় নিতম্বের অধিকারিনীর পিছন দিয়া ভুঁড়ি ঠেলিতে ঠেলিতে নায়ক চলিয়া গেলো,কেউ কাহাকেও দেখিলোনা।

এইবার খবর আসিলো নায়ক সাহেবের অংকিত ফটুক প্যারিসের কোনো এক মিউজিয়াম কিনিয়া নিয়াছে বলিয়া তাহার ইন্টারভিউ নিবে রেডিও ফুর্তি।ঐদিকে নায়িকা ঠিক করিলো সে ইমন কে খুঁজিতে চলিয়া যাইবে প্যারিস।নায়িকা রওনা দিলো এয়ারপোর্টে।অন্যদিকে রেডিও ফুর্তিতে বকবকবকবক করিতে করিতে আরজে মহিলা ঘোষনা দিলো,এইবার আপনার সামনে আসিবেন বিশিষ্ট লেখক,রম্যকার,নাট্যকার,চলচ্চিত্রকার,গীতিকার,সুরকার,ফিচারিস্ট,কলামিস্ট,বলারিষ্ঠ,সারিবাদ্যরিষ্ঠ আনিসুল হক । থুক্কু ইমন। উনার সাথে কথা বলিতে হইলে ইয়েস চাপুন আর মেসেজ করুন এই এই নাম্বারে ,আর কথা না বলিতে চাইলে নো চাপুন আর মেসেজ করুন এই এই নাম্বারে ইত্যকার বকবকবকবক !!

কুসুম ধুপ করিয়া ফোন লাগাইলেন,ঘোৎঘোৎ করিতে গিয়া খেই হারাইলেন,নায়ক ব্যাটা অনুষ্ঠান ফালাইয়া এয়ারপোর্ট বরাবর দৌড় ঝাড়িলেন। ছোটভাইকে বলিলাম ''ফিল্ম আর কতক্ষন আছে? '' ।ছোটভাই ইংগিত বুঝিয়া বলিলো,''এইবার দেখা হইবেই '' ।বিজ্ঞের মত মাথা নাড়াইয়া আমিও সায় দিলাম,এইবার দেখা হইবেই।ইমন আসিয়া দেখিলেন প্লেন উড়িয়া গিয়াছে,রাখিয়া গিয়াছে ধুম্র।আমি বলিলাম নায়িকা পিছন হইতে হাত রাখিবে,ছোটভাই বলিলো লাল কাপড় পরিয়া আসিবে।

নায়িকা পিছন হইতে লাল নেইলপলিশ লাগানো হাত নায়কের পিঠের উপর রাখিলেন,আমি আর আমার ছোটভাই প্রশংসার দৃ্ষ্টিতে একজন আরেকজনের দিকে তাকাইলাম।ছবি শেষ হইলো,আমি চলচ্চিত্রের পজেটিভ দিক খুঁজিতে লাগিলাম-

@কুসুম বড়ই পর্দানশীন বাঙালী নারির চিত্রে মানাইয়া গিয়াছেন,।পুরা ছবিতেই নায়ক হইতে শুরু করিয়া সবাইকেই টিশার্ট ও হালকা কাপড়ে দেখিলাম,কিন্তু কুসুম শিকদার পর্দা বাড়াইবার জন্য একটার উপর আরেকটা কাপড় পড়িয়াই গিয়াছেন।
@কুসুম শিকদার কাপড় বানাইতে গিয়া সময় নষ্ট করেন নাই,রেডিমেড কাপড় পড়িয়াছেন।তাহার সবগুলা ব্লাউজ হয় হাতা,না হয় পিঠ ঢিলা হইয়া ঝুলিতেছিলো।অবশ্য ব্লাউজগুলো হস্তিকুলের জন্য বানানো হইয়াছিলো কিনা জানিতে পারিনাই।
@স্কুলের পিটি করানো শিক্ষকেরা নির্দ্বিধায় এফডিসিতে চাকুরি খুঁজিতে পারেন,আমার দেখা সেরা নৃত্যমুদ্রা এইখানে দেখিলাম,যেন ড্রিল করিতেছি ! হক মওলা !
@আলুর নতুন ইংরেজি 'টাইটস' হইতে পারে,কেননা আলুই একমাত্র খাদ্য যাহা সব তরকারীতে দেয়া যায়।টাইটসও একমাত্র বস্ত্র যাহা ফ্রক,মিনিস্কার্ট এমনকি রাতপোষাক ও শাড়ীর নিচেও পড়া যায়।জয়তু কুসুম 'টাইটস' শিকদার !
@ইমন খুব ভালো অভিনয় করিয়াছেন।নায়িকার চরিত্রে উনাকে ভালই মানাইয়াছে।ন্যাচারাল।
@যাহারা প্যারিস যান নাই,তাহাদের জন্য মাস্ট সী মুভি।কাহিনির তুলনায় পরিচালক প্যারিসের চ্যাম্পস সিসেলি,মিউজে ডি অরস,আইফেল টাওয়ার আর রাস্তাঘাট ঘুরাইয়া ফিরাইয়া বারবার দেখাইয়াছেন।এই মূহুর্তে আমাকে প্যারিসের রাস্তায় ছাড়িয়া দিলে ফ্রেঞ্চ কোনো নাগরিকের আগেই পৌঁছাইতে পারিবো।একই কথা গানের ক্ষেত্রেও খাটে,কুমিরের বাচ্চার মতো বার বার শুনিয়া মুখস্ত হইয়া গিয়াছে।
@বিদেশীদের সাথে আমাদের ইংরাজীর দৌড় দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছি,প্রথমে বুঝিতেই পারিনাই,আমি বাংলা ছবি দেখিতেছি নাকি ফ্রেঞ্চ মুভি।ছোটভাই ভুল ধরাইয়া দিয়াছে,উহারা নাকি ইংরেজীতে কথা বলিতেছিলেন।
@ক্যামেরার কাজ দুর্দান্ত হইয়াছে,ভদ্রলোক আর কিছুদিন ক্যামেরা ধরিলে দুষ্টলোকেরা কাপড় পরিহিতার সবই দেখিয়া ফেলিবে।কি তার এনাটমি জ্ঞান !!কি উপর হইতে ,কি নিচ হইতে !বাভুল,তুই বুখে আয় !
@কুসুম শিকদার,অসামান্য তার বস্ত্রজ্ঞান ! কনফিউজড ! হটপ্যান্ট পড়িয়া ভাবিলেন,বেশি দেখাইয়া ফেলিলাম?সুতরাং নিচে একখানা টাইটস পড়িয়া লইলেন,অতঃপর ভাবিলেন বেশি ঢাকিয়া ফেলিলাম? সুতরাং টাইটস গুটাইয়া হাঁটু পর্যন্ত আনিলেন।আহা !


বাহির হইতে গিয়া ছবির নাম খানা লালটিপ রাখিয়াছে কেন তাহার সন্তোষজনক উত্তর পাইয়া গেলাম । কেননা পাশের কপোত তাহার কপোতীকে টিপিয়া টিপিয়া ততক্ষনে লাল বানাইয়া ফেলিয়াছে।

Thursday, January 19, 2012

২১ দিন টানা ঘরের কোনে পরে থাকার পর।

আজ ২১ দিন টানা ঘরের কোনে পরে আছি। কেন আছি তা জানি না।
গত মাস, মানে ডিসেম্বর মাসের ২৮ তারিখ শেষ ঘর থেকে বাহিরে বের হয়েছিলাম। এরপর আজ অবধি ঘরের চৌকাঠ ডিঙ্গিয়ে বাহিরে যেতে পারলাম না। বাহিরের কথা আর কি বলব...ঘরের গণ্ডি পেরিয়ে বারান্দাতে ই যেতে পারলাম না। কেন যে পারলাম না তাও জানি না। এরই মধ্যে নাকি একটা বছর চলে গেছে। What a joke..!!! সবাই নাকি নতুন বছর ১ তারিখে বরণ করে নিয়েছে। এখন নাকি ২০১২ !! প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার পর আজও আমার মনে হয় আজই বুঝি ২০১০ সালের ১ জানুয়ারী। তোর চোখে স্বপ্ন রেখে আমার বেঁচে থাকার গান। সব কিছু বদলে গেছে, শুধু বদলাতে পারলাম না এই আমি। কবে না জানি সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখি এখন ২০৫০ , আর আমি পরে আছি সেই চিরচেনা জীবনের সবচে কলঙ্কময় অধ্যায় ২০১০ সালে। কিন্ত না, আর না,এইবার আমি বের হব সমস্ত পিছু টান ছেঁড়ে। ঘরের গণ্ডি পেরিয়ে অজানার উদ্দেশে।

Tuesday, January 17, 2012

ফেসবুকে মেয়েরা (লোল :P)

১.নতুন প্রোফাইল পিকচার আপলোড

২.কমান্ট//লাইক পাওয়ার জন্য অপেক্ষা ।
"cute" "cho chweet" "aww" "nice"

৩.কমান্ট দেখে খুব খুশি হয়

৪. আলাদা আলাদা করে সবার কমান্ট এর রিপলে । with "thank you" "you ar so sweet"

তাই খুব দ্রূত কমান্ট বাড়তে থাকে।

৫.তাই আবার খুব্বি খুশি
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...